ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, আমরা দেখবো নৌকার চেয়ারম্যানরা যারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পাঁচটি দশটি হত্যা মামলার আসামিরা তারা ওপেনে রাস্তায় ঘুরছে। এখনও জনপ্রতিনিধি পরিচয় দিচ্ছে। এটা কীভাবে হচ্ছে। তার তো জামিন নিতে হবে। একদিনের জন্য কোর্টে আত্মসমর্পণ করেনি তারা চেয়ারম্যান হিসেবে কীভাবে মাঠে থাকে। আমাদের বলে প্রশাসন আসামিদের দেখে না। তারা তো প্রকাশ্যে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, কারা নৌকার চেয়ারম্যান কারা শামীম ওসমানদের সাথে ছিল আমরা কী চিনি না? ওসমানদের ক্যাশিয়ার কে? যারা শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়িয়ে জুলাইকে তান্ডব বলেছে সেই হাতেমদের নাম বলা যাবে না। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যা মামলার আসামি। হাতেমের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে।
এখানে একশোর ওপরে মামলা আছে কোথাও হাজারের ওপর আসামি রয়েছে। তবে অন্তত নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি মামলায় গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করলে সকলের আস্থা জন্মাবে যে প্রশাসন সিরিয়াস। আমরা যদি দশটি মামলা সিলেক্ট করে কাজ করা শুরু করি তাহলে অনেক দ্রুত বিচার করা সম্ভব।
মামলা বানিজ্য কারা করেছে আপনারা জানেন। মামলা বানিজ্যের কথা বলে আসামিদের ধরা হচ্ছে না। এমন একটা ফিলিংস যে নারায়ণগঞ্জ শহরে কিছু হয়নি। আমরা চোখের সামনে দেখি আসামি ঘুরছে। এখানে মামলা বানিজ্য হয়েছে, নিরীহ লোকদের জড়ানো হয়েছে আমি মানি। কিন্তু এমন তো না যে সকলে নিরীহ, কোন ক্রাইম হয়নি। জুলাইয়ে নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
আমি কখনও দলের বিরুদ্ধে বলি না। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমি না। ব্যবসায়ীরা দেশকে টিকিয়ে রেখেছে। তবে এর মানে এই না ব্যাবসায়ীরা সন্ত্রাসীদের সাথে আঁতাত করেনি। সেলিম ওসমানও তো ব্যবসায়ী। সে কী সন্ত্রাসী না?
একন নিরীহ মানুষ, ব্যাবসায়ী বা রাজনীতিবিদকে হয়রানি করা হোক এটা আমি চাই না। তবে যারা ঢাকা গিয়ে নৌকা মার্কার মিছিল করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে হবে না?
আমরা পাঁচজন মিছিল করলেও প্রশাসন আমাদের ধরতো। আমার হাত ভেঙেছে। এই টিপু কাকারা আরও ভাল জানে। তাদের কর্মী শাওন শহীদ হয়েছে। এখন লিংক রোডে মিছিল হয় প্রশাসন কেন জানে না। এখানে ঘাপলা আছে কীনা এটা দেখতে হবে।
শহীদ পরিবার হুমকির কারণে নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ভুঁইগড়ের একটি পরিবার আসামিদের হুমকির কারণে চাঁদপুর চলে গেছে। এটা কীভাবে হয়।

