সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

|

কার্তিক ৩ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

মহাখালীতে রক্ষাকালী মন্দির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৮:৪২, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মহাখালীতে রক্ষাকালী মন্দির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যের বার্তা দেন

এ সময় রাজধানীর মহাখালী সার্বজনীন শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। ড্রিম হলিডে পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবু প্রবীর কুমার সাহার একক উদ্যোগ ও অর্থায়নে নির্মিত মন্দিরটির উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্দিরটির নির্মাণে প্রবীর কুমার সাহার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়ন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উপাসনা ও পূজা-অর্চনার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী: প্রবীর কুমার সাহা

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাবু প্রবীর কুমার সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর এ উদ্যোগ সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘেœ ও আনন্দের সঙ্গে উদ্‌যাপন করতে পারেন, সে পরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের উদ্যোগ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমি আশাবাদী।”

প্রবীর কুমার সাহা দীর্ঘদিন ধরে শিল্প ও ব্যবসার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কর্মকা-ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর একক উদ্যোগে নির্মিত রক্ষাকালী মন্দিরের উদ্বোধন ধর্মীয় উপাসনার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্বকেও সামনে নিয়ে এসেছে।

সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে পূজাম-প পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়কে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব—এমন প্রত্যাশা অনুষ্ঠানে উঠে আসে।

মহাখালীর শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ধর্মীয় উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের গুরুত্বকে নতুন করে তুলে ধরে।