শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

|

আশ্বিন ৩০ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

বন্দরে আলোচিত মাকসুদা হত্যা: প্রধান আসামীর জবানবন্দী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২১:০৬, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বন্দরে আলোচিত মাকসুদা হত্যা: প্রধান আসামীর জবানবন্দী

প্রতীকী ছবি

বন্দরে আলোচিত মাকসুদা বেগম (৬৪) হত্যা মামলার ধৃত ২ আসামীর মধ্যে ১নং এজাহারভূক্ত আসামী ঘাতক সাদ্দাম (৩৬) বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে জবানবন্দী প্রদান করেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালত এর৷ বিজ্ঞ বিচারক ইয়াসিন আরাফাতের আদালতে সে এ স্বিকাররোক্তি জবানবন্দী প্রদান করে। গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকার খোকন ওরফে তুরাগ আলী ছেলে। এর আগে গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় মামলার ১নং আসামী সাদ্দাম (৩৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

মামলার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকার তুরাগ আলী ছেলে সাদ্দামের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙ্গারী ব্যবসার পাওনা ১৯ লাখ টাকা  নিয়ে একই এলাকার মৃত নাজির সরদারের ছেলে মামলার বাদী নাদিমের ছোট দুই ভাই জজ মিয়া ও রাসেলের  সাথে বিরোধ চলছিল। দেনাদার সাদ্দাম পাওনা টাকা না দিয়ে নানা ভাবে তালবাহানা করে আসছিল। গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় পাওনাদারের মা মাকসুদা বেগম দেনাদার সাদ্দামের নিকট পাওনা ১৯ লাখ টাকা চাইলে ওই সময় দেনাদার সাদ্দাম ও একই এলাকার মৃত হবিউল্ল্যাহ মাদবর ৩ ছেলে সামাউন হাবিব, অলিদ, খোকন ও ওয়ালিদ মুন্সি ছেলে তায়েম হাবিব ও একই এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে সিয়ামসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাওনাদার ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী রাসেলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
ওই সময় হামলাকারিরা রাসেলকে কুপিয়ে জখম করার সময় তার মা মাকসুদা বেগম হামলাকারিদের বাধা দিলে উল্লেখিত হামলাকারিরা মাকসুদা বেগম ও শফিকুলকে কুপিয়ে জখম করলে ঘটনাস্থলেই মাকসুদা বেগমের মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, মাকসুদা বেগম হত্যা মামলায় ১নং আসামী সাদ্দাম বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকান্ডের সত্যতা স্বিকাররোক্তি জবানবন্দী প্রদান করেছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে।