আবুল কাউসার আশা
নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা বলেছেন, আমরা আমাদের বড় ভাইদের বই পড়েছি। এখন এই বছর এক বই পরের বছর আমার বই চেঞ্জ করে দেয়ার কারণে আমরা কিন্তু পড়তে পারিনা। আমাদের ভ্রাতৃত্ব বোধ নেই, সামাজিক অবক্ষয়ও হয়েছে। আমাদের শিক্ষকেরা স্কুলে দেয় বিশ পার্সেন্ট, কোচিং সেন্টারে দেয় আশি পার্সেন্ট। এটা যেন না হয়৷ স্কুলের ক্লাশে যেন তারা মনোযোগী হয়।
রোববার (২ আগষ্ট) হাই স্কুলের শিক্ষক-অভিবাবক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত স্কুল কম্পাউন্ডের ভেতরেই বিশেষ ক্লাশের ব্যাবস্থা করা হবে। শিক্ষকেরা হয়ত মনঃক্ষুণ্ন হবে তাদের আয়ের পথ নষ্ট হবে, সেটা হবে না। যারা কোচিংয়ে পড়াবেন সেখানে একটা বেতন ধার্য করে দিবো। কিন্তু এই ক্লাশটি স্কুলেই হবে। এতে অভিবাবকদেরও বাচ্চাদের নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ উন্নত। এটাকে আরও উন্নত করার সুযোগ আছে। এখানে উন্নত ওয়াশরুমের ব্যাবস্থা আমরা করবো।
তিনি আরও বলেন, বেতন একশো টাকা বাড়ানের কথা উঠেছে। আমি বলেছি এটা অভিবাবকদের জন্য চাপ হয়ে যাবে। আপনারা শিক্ষকদের কাছে যেমন সাপোর্ট চাচ্ছেন। আপনারা দেখবেন প্রাইভেট বিদ্যালয়ে পাঁচ, ছয় হাজার টাকা বেতন দিয়ে পড়াচ্ছে বাচ্চাদের। এই স্কুলে আটাশ লক্ষ টাকা বেতন আসে মাসে, ইউটিলিটি বিল আছে। ছাত্রদের বেতন ছাড়া স্কুলের কোন আয় নেই। একশো টাকা বেতন বাড়ানোর বিনিময়ে আপনাদের বাচ্চাদের প্রতি যত্ন বাড়ছে কীনা আপনারা সেদিকটা দেখবেন। আমি এক হাজার টাকা বাড়াতে চেয়েছিলাম। স্যার আমাক হাত ধরে ফেলেছে। আমরা ধাপে ধাপে এটা বাড়াবো।

