ফাইল ছবি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটি ঘিরে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ শিল্প কারখানায় ছুটির আমেজ শুরু হয়েছে। ধাপে ধাপে বিভিন্ন গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে শ্রমিকদের ঈদের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ফলে কর্মচঞ্চল এই শিল্পাঞ্চল কিছুদিনের জন্য অনেকটাই নিরিবিলি হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিল্পাঞ্চল ফতুল্লার বিসিক ও আদমজী ইপিজেডসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত তৈরি পোশাক কারখানা, নিটিং, ডাইং, ও টেক্সটাইল মিলগুলোতে ইতোমধ্যে ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক কারখানায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করে ছুটি দেওয়া হয়েছে। ছুটি পেয়ে শ্রমিকরা নিজ নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন।
ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার এলাকার শিল্পাঞ্চলগুলোতে ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে কাজের চাপ কিছুটা বেশি দেখা গেলেও এখন ধীরে ধীরে কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি কারখানায় জরুরি কাজ থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই কয়েক দিনের জন্য উৎপাদন বন্ধ রাখছে।
ফতুল্লা বিসিক এলাকার গার্মেন্টসের মর্চেনডাইজার হাসিবুর রহমান জানান, সারা বছর কাজের ব্যস্ততা থাকে। ঈদের সময়টাতেই পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায়। ছুটি পেয়েই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছি।
কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের সময় শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া শিল্প খাতের একটি নিয়মিত বিষয়। বেশিরভাগ কারখানা ঈদের কয়েক দিন আগে বন্ধ হয়ে যায় এবং ঈদের পর আবার উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
এদিকে শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের যাতায়াত বাড়ায় বাস ও অন্যান্য পরিবহনেও যাত্রীচাপ দেখা যাচ্ছে। অনেকে আবার পরিবারসহ একসঙ্গে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন।
এছাড়াও নিন্ম আয়ের শ্রমিকেরা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাসের টিকেট না পেয়ে ট্রাক ভাড়া করেছেন। ঈদের একদিন আগে বা চাঁদ রাতে দল বেঁধে ঈদ উদযাপন করতে গ্রামের উদ্দ্যেশ্যে রওয়ানা হবেন তারা।

