মোবাইল কোর্টের অভিযান
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেছে জোনাল বিক্রয় অফিস-বন্দর।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মদনপুর ও কুড়িপাড়া এলাকায় পৃথক তিনটি স্পটে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মিজ সুহা তাবিল, সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ।
অভিযানের প্রথম স্পট ছিল মদনপুর এলাকায় বন্দর স্টিলের বিপরীতে। সেখানে বাণিজ্যিক ও আবাসিক অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৭টি বাণিজ্যিক বার্নার এবং আনুমানিক ১০০টি আবাসিক ডাবল বার্নারের সংযোগ পাওয়া যায়। এ সময় প্রায় ৪৬০ ঘনফুট/ঘণ্টা বাণিজ্যিক এবং ২১০০ ঘনফুট/ঘণ্টা আবাসিক গ্যাসের অবৈধ লোড শনাক্ত করা হয়।
এসময় একটি ১০০ সিএফটি স্টার বার্নার, দুটি ৭৫ সিএফটি স্টার বার্নার, একটি ৪৫ সিএফটি স্টার বার্নার, একটি ৪৫ সিএফটি মডিফাইড বার্নার, প্রায় ৩০ ফুট ১.৫ ইঞ্চি পাইপ, ৬০ ফুট ১ ইঞ্চি পাইপ, ৮০ ফুট ৩/৪ ইঞ্চি পাইপ এবং দুটি রেগুলেটর অপসারণ করা হয়। এ ঘটনায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কোনো মামলা হয়নি।
দ্বিতীয় স্পট ছিল মদনপুরে আকিব সিএনজির পাশে। সেখানে ৩টি বাণিজ্যিক বার্নার ও আনুমানিক ১০০টি আবাসিক ডাবল বার্নারের অবৈধ সংযোগ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বাণিজ্যিক গ্যাসের লোড ছিল প্রায় ১৭৫ ঘনফুট/ঘণ্টা এবং আবাসিক লোড ২১০০ ঘনফুট/ঘণ্টা। অভিযানে দুটি ৭৫ সিএফটি এবং একটি ২৫ সিএফটি স্টার বার্নার অপসারণ করা হয়। এ ঘটনায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এখানেও কোনো মামলা হয়নি।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় স্পটের অবৈধ বিতরণ লাইনের সংযোগের উৎস একই স্থানে ছিল। অভিযানকালে ওই সংযোগের উৎস বিচ্ছিন্ন করা হয়। এতে আনুমানিক দুই কিলোমিটার এলাকার প্রায় ২০০টি আবাসিক গ্রাহকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
অন্যদিকে, তৃতীয় স্পটে কুড়িপাড়া এলাকায় আবাসিক অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে আনুমানিক ৫০টি আবাসিক ডাবল বার্নারের সংযোগ এবং প্রায় ১০৫০ ঘনফুট/ঘণ্টা গ্যাসের অবৈধ লোড শনাক্ত করা হয়।
তিনটি স্পটে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সংশ্লিষ্ট পাইপলাইন-যন্ত্রাংশ অপসারণের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

