বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

|

ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন থেকে সিমেন্ট কোম্পানির ভেতর হামলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২১:১২, ৩ মার্চ ২০২৬

সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন থেকে সিমেন্ট কোম্পানির ভেতর হামলা

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নে আমান সিমেন্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ ও ভূকম্পন এর অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। এ সময় মানববন্ধন থেকে হামলা চালিয়ে কোম্পানির মূল গেইট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে কোম্পানির ব্যানার, চেয়ার ও বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাংচূর করে। কোম্পানির কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও সিসি ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন আমান কর্তৃপক্ষ।
কোম্পানির ব্যাবসা নিয়ন্ত্রনের জন্য ওই ইউনিয়নের  গাজী আওলাদ, মজিবুর রহমান ও দিলারা বেগমের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন এ হামলা করেছে বলে জানিয়েছেন আমান কর্তৃপক্ষ। বিক্ষুব্ধ লোকজনের হামলা থেকে রক্ষা পেতে কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারীরা অফিস থেকে বের হয়ে নিরাপদে সরে যেতে বাধ্য হয়।
এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষুব্ধ জনগনকে সরিয়ে দেয়।
মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়নের উলুকান্দি এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির মেইন গেইটের সামনে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ওই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় বারদী টু চৌরাস্তা সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে এলাকাবাসীর পক্ষে গাজী আওলাদ বলেন, আমান গ্রুপের শব্দ দূষণ ও ভূকম্পনের কারণে আমাদের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। বারবার বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে এর প্রতিকার চেয়েও কোন সমাধান পাওয়া যায়নি। রমজান মাসে এ শব্দ দূষণ ও ভূকম্পনে এ এলাকার মানুষ অনেক কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। তাই বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষ আন্দোলনে নেমেছেন।
আমান সিমেন্ট কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নাদিরুজ্জমান বলেন, সকল নিয়ম কানুন মেনেই আমান গ্রুপ এখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর গাজী আওলাদসহ একটি মহল তাদের নিজেদের ব্যাবসায়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিকল্পিত ভাবে  এ আন্দোলন করছে। তারা এলাকাবাসীকে ইন্ধন দিয়ে এ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তারা কোম্পানির মূল গেইট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে কোম্পানির কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও সিসি ক্যামেরা লুট করে নিয়ে গেছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্র করেছে।  হামলার ঘটনায় কোম্পানির পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।