ফাইল ছবি
বন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২০৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ কেঁজী গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই সময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে আরো এক মাদক কারবারি।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারিরা হলো বন্দর থানার দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার মৃত শাহাবউদ্দিন মিয়ার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন সুমন (২৫) একই থানার নবীগঞ্জ নূরবাগ এলাকার মৃত আব্দুল সামাদ মিয়ার সোহাগ ওরফে জাকির ওরফে গাজী (৪৭) ও বন্দর উপজেলার ফুলহর এলাকার মনির হোসেনের ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী রাকিব হাসান (২২) ও একই এলাকার আসন উল্ল্যাহ আমান মিয়ার ছেলে রানা (১৭)। পলাতক আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন জসু বন্দর থানার দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার মৃত আব্দুল হক বেপারী ছেলে। ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক আইনে পৃথক মামলা রুজু করেছে পুলিশ। যার মামলা নং- ৫৫(৭)২৬ ও ৫৬ (৭)২৬।
গ্রেপ্তারকৃত ৪ মাদক কারবারিকে বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বন্দর থানার রুজুকৃত উল্লেখিত পৃথক মাদক মামলায় এদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টায় বন্দর থানার দক্ষিণ লক্ষনখোলা ও একই রাতে বন্দর থানার ফুলহর কবরস্থান সংলগ্ন কাউছার র্ফামেন্সি সামনে পৃথক অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার উপ পরিদর্শক রাজিব হোসেন তালুকদারসহ সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানার দক্ষিণ লক্ষনখোলাস্থ মাদক কারবারি শাহাদাত হোসেন সুমনের বসত বাড়ি সামনে অভিযান চালিয়ে ২০৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ উল্লেখিত এলাকার মৃত শাহাবউদ্দিন মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন সুমন (২৫) ও একই থানার নবীগঞ্জ নূরবাগ এলাকার মৃত আব্দুল সামাদ মিয়ার ছেলে চিহ্নিত মাদক সম্রাট ও একাধিক মাদক মামলার আসামীর সোহাগ ওরফে জাকির ওরফে গাজী (৪৭) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ওই সময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে একই থানার দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার মৃত আব্দুল হক বেপারী ছেলে অপর মাদক কারবারি জসিম উদ্দিন জসু (৪৫)।
এ ছাড়াও বন্দর থানার অপর উপ পরিদর্শক মামুন ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স একই রাতে বন্দর উপজেলার ফুলহর কবরস্থান সংলগ্ন কাউছার র্ফামেন্সি সামনে অভিযান চালিয়ে ৩ কেঁজী গাঁজাসহ একই এলাকার মনির হোসেন মিয়ার ছেলে মাদক কারবারি রাকিব হাসান (২২) ও একই এলাকার আমানউল্লাহ আমান মিয়ার ছেলে অপর মাদক ব্যবসায়ী রানা (১৭)কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমেকে জানান, বন্দরে মাদকের ভয়াবহতা ব্যাপক আকাড় ধারন করেছে। আমি বন্দর থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল করতে বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। এর ধারাবাহিকতা গত মঙ্গলবার রাতে বন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২০৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ কেঁজী গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমি বন্দরে সুধীজন ও সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

