প্রতীকী ছবি
বন্দরে বেপরোয়া কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় গোলাপ মিয়া (৩৮) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে আরো ৭ জন দিনমজুর মারাত্মক ভাবে আহত হয়। নিহত গোলাপ মিয়া বন্দর উপজেলার কেওঢালাস্থ মুসলিমপাড়া এলাকার নূর নবী মিয়ার ছেলে। আহতরা হলো নয়ন (২৮), ইয়াছিন (২২), সবুজ (২৮) দুলাল (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন। স্থানীয়রা আহতদের মারাত্মক জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটস্থ মদনপুর আল বারাকা হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে নিহত দিনমজুরের পিতা নূর নবী মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত চালককে আসামী করে বন্দর থানা সড়ক র্দূঘটনা আইনে এ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ৫(৮)২৬ । এর আগে গত সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে বন্দর থানার ঢাকা টু চট্টগ্রাম মহাসড়কের কেওঢালাস্থ চট্টগ্রামগামী লেনে ৯০৯ ব্রিক্স ফিল্ডের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। সড়ক র্দূঘটনার খবর পেয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ছাড়াও র্দূঘটনা কবলিত কাভার্ড ভ্যান ঢাকা মেট্রো ট-২০-৬৮০৬ ও ঢাকা মেট্রো ট-২০-৪০০৬সহ ১টি ইঞ্জিন চালিত ভ্যান জব্দ করে।
জানা গেছে, বাদীর ছেলে দিনমজুর গোলাপ মিয়া বন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায়
মেশিন দিয়ে দিনমজুর হিসেবে ইটভাঙ্গার কাজ করে। বাদী ছেলে গোলাপ মিয়াসহ জনৈক নয়ন (২৮), ইয়াছিন (২২), সবুজ (২৮), দুলাল (৪৫)সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন লোক প্রতিদিনের ন্যায় গত সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে একটি ইঞ্জিন চালিত ভ্যানের সহায়তায় ইটভাঙ্গার মেশিন যোগে বন্দর থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কেওঢালাস্থ
চট্টগ্রামগামী লেনে ৯০৯ ব্রিক্স ফিল্ডের সামনে পৌছাইলে ঢাকা মেট্রো-ট-২০-৬৮০৬ নাম্বারের কাভার্ড ভ্যানের অজ্ঞাত চালক
দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাইয়া ইটভাঙ্গা মেশিনের গাড়ীতে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। যার ফলে ইঞ্জিন চালিত ভ্যান গাড়ীর ড্রাইভার ভ্যানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং আমার ছেলে সহ বর্ণিত শ্রমিকগন গাড়ী হইতে ছিটকে পাঁকা রাস্তার উপর পড়ে যায় এবং উক্ত গাড়ীটি আমার ছেলের কোমড়ের উপর দিয়া উঠাইয়া দেয়। তখন একই দিক থেকে বর্ণিত গাড়ীর সাথে প্রতিযোগিতা মূলকভাবে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান, যাহার রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো-ট-২০-৪৩০৬ গাড়ীটির অজ্ঞাতনামা চালক দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালাইয়া আসিয়া আমার বড় ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৮) বসে থাকার ইটভাঙ্গা মেশিনের গাড়ীতে গজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন আমার বড় ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৮)সহ নয়ন (২৮), ইয়াছিন (২২), সবুজ (২৮) দুলাল (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন কে উদ্বার পূর্বক চিকিৎসার জন্য মদনপুর আল বারাকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার গোলাপ মিয়া (৩৮) কে মৃত ঘোষনা করেন এবং উল্লেখিত শ্রমিকরা গুরুত্বর জখম হয়ে উল্লেখিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

