ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নিরলস ভাবে বাজার মনিটরিংয়ে অভিযান পরিচালনা করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। নিয়মিত অভিযানের ফলে বাজারে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রব্যমূল্যও রমজানের শুরুর তুলনায় কমে এসেছে বলে জানান ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শহরের দ্বিগুবাবুর বাজারসহ বেশ কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজারে ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
শহরের কাঁচা বাজারে ঘুরে দেখা যায়, মাছ, মুরগীর মাংস, গরুর মাংস ও ডিমের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সবজির বাজার কিছুটা চড়া। বাজারে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন জাতের লেবু বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও বেগুন ও শসা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম কিছুটা বাড়তি।
সবজি বিক্রেতারা বলছেন, শীতের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। তাই সবজির দাম কিছুটা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে আছে। তবে রমজানে শসা, বেগুনের চাহিদা বেশি থাকে তাই এই সবজিগুলোর দাম বেশি।
দ্বিগুবাবুর বাজারের ক্রেতা মনির হোসেন জানান, মাছ, মাংসের দাম কিছুটা সহনীয় আছে। তবে বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। বিশেষ করে শসা ও লেবুর দাম বেশি।
কালীরবাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে বেচাকেনা চলছে। অতীতে মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার ব্যাপারে অনীহা থাকলেও নিয়মিত অভিযানের ফলে সচেতন হয়েছেন ব্যাবসায়ীরা।
এখানে বাজার করতে আসা রবিউল জানান, বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম কিছুটা বেশি থাকলেও সহনীয় পর্যায়ে আছে। ঈদের আগ পর্যন্ত আর দাম না বাড়লেই আমরা খুশি।
এদিকে রমজান জুড়ে নারায়ণগঞ্জে বাজার মনিটরিং অব্যাহত রাখার দাবী জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারি পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বনিক জানান, আমাদের নিয়মিত মনিটরিং চলমান থাকে। রমজান উপলক্ষেও আমাদের বাজার মনিটরিং বা অভিযান চলমান রয়েছে। পুরো রমজান জুড়েই আমাদের নিয়মিত মনিটরিং, অভিযান চলবে।

