প্রতীকী ছবি
বন্দরের মদনপুর ইউনিয়নের বাগদোবাড়িয়া এলাকায় রমরমা মাদকের বিস্তারে প্রশাসন নিরব। মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। বিভিন্ন তথ্য সূত্রে ও সরেজমিন জানা যায়, মদনপুর ইউনিয়ন কেওঢালা বাগদোবাড়িয়া এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি। এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মরণদশা মাদক। যে মাদকের কাড়াল গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তরুন যুব সমাজ। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থী। আর এ মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে উল্লেখিত এলাকার মৃত রেজ্জাক দেওয়ানের ছেলে আল-আমিন, নুর ইসলাম মোল্লার ছেলে সানোয়ার, শ্রীরামপুর এলাকার নুর ইসলাম বেপারী ছেলে আলমগীরসহ আরো অনেকেই।
এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, মাদক ডিলার ক্ষ্যাত আল-আমিন ইট ভাটা থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ এমনকি রাস্তার পাশে দাড়িয়ে ফেরি করে গাজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল বিক্রি করে। তার রয়েছে বিশাল মাদক সিন্ডিকেট বাহিনী। গড়ে তুলেছেন কিশোর গ্যাং বাহিনী। রয়েছে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য। যাহারা আল-আমিনের কাছ থেকে নিয়মিত মাশোহারা পেয়ে থাকে। কিছুদিন আগেও আলমগীর দুই হাজার পিছ ইয়াবা বিক্রির সময় নারায়নগঞ্জ ডিবির হাতে ধরা পড়া অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যায়। আলমগীর পালিয়ে গেলেও তার সাথে থাকা ---ধরা পড়ে। মাদকদ্রব্য আইনে মামলায় আলমগীর দুই নম্বর আসামি। পুলিশের নিকট ধরা খাওয়ার ভয়ে এখন সে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে পালিয়ে মাদক বিক্রি করছে। সানোয়ারেরর বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য মামলা। বেশ কিছদিন পূর্বে সানোয়ার মাদক আইনের মামলায় জেল খেটে বেড়িয়ে আসছে। আর আল-আমিন আওয়ামীলীগ নেতা ভেন্ডার আজিজ দেওয়ানের ভাই বলে এলাকায় রয়েছে বিশাল আধিপত্য। যে কারনে এলাকার লোকজন তাদের বিরুদ্ধে সমাজে কোন কথা কিংবা প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও বাড়িঘরে হামলা সহ ভাংচুর করে। ফলে দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ। মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে না পারলেই তরুন যুব সমাজ অন্যায়ের পথে পা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছিনতাই, চুরি-ডাকাতি সহ নানান অপকর্ম। কখনো আবার খুনের মত মারাত্মক ঘটনা ঘটছে । কখনো আবার আশেপাশের মিল ফ্যাক্টরী ও ইঁট ভাটা মালিকদের থেকে চাঁদাবাজি। আল-আমিন সহ এই সকল মাদক ব্যবসায়ী ডিলারদের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জোড় দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অন্যথায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ তরুন যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স। মাদক ব্যবসায়ী যত শক্তিশালীই হউক তারা কোন পার পাবেনা। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

