ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আশরাফুল ইসলাম তৌকির নামে এক ব্লাডডোনারকে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা। বুধবার রাতের এ ঘটনায় কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় শুক্রবার বিকেলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের সদস্যরা ফতুল্লা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ মানববন্ধন করেছে। এসময় থানার ওসি গিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা শান্ত হয়ে ঘেরাও ছেড়ে দেয়।
আহতের বড় ভাই রাব্বি জানান, তৌকির ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের সভাপতি। এজন্য বিপদ আপদে এলাকার লোকজন ডাকলে তাদের পাশে দাড়ায়। গতবুধবার রাতে আমাদের বাড়ির কাছে ফতুল্লা পোষ্ট অফিস মোড়ে এলাকার ছোট ভাই অনিককে একটি ট্রাক পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অনিক সামান্য আহত হয়। তখন স্থানীয় লোকজন ট্রাকসহ চালক রাজুকে আটক করে। এসময় অনিক ফোন করে তৌকিরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তৌকির সেখানে গিয়ে ট্রাক চালকের সাথে অনিককে মিলিয়ে দেয়। কিন্তু ট্রাক চালক রাজু তাদের মিমাংসা মেনে না নিয়ে ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক সৈকত রাজকে ফোন করে। তখন সৈকত রাজ রাম দা লোহার পাইপ হাতে একাধীক মোটর সাইকে যোগে পোষ্ট অফিস মোড়ে এসে কাউকে কিছু না বলেই প্রকাশ্যে তৌকিরকে এলোপাথারী লোহার পাইপ দিয়ে পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে তৌকিরকে টেনে হেচরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তৌকিরকে বিবস্ত্র করে পিটিয়ে তার মোবাইল ও সাথে থাকা টাকা নিয়ে মোটরসাইকে চলে যায়। অনেক লোকজন এ দৃশ্য কাছ থেকে দেখলেও ভয়ে কেহ কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি। এঘটনার কয়েক ঘন্টাপর আমার মা আকলিমা বেগম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশকে বারবার অনুরোধ করেও কোন ব্যবস্থা নিতে পারিনি।
এবিসয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, একজন অফিসারকে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ার দায়ীত্ব দেয়া হয়েছিলো। সে মামলা রেকর্ড করিয়ে চেষ্টা করেছে গ্রেফতারের। বিষয়টি বাদী পক্ষকে জানানো হয়নি। তাই তারা বিক্ষোভ করেছে।

