প্রতীকী ছবি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু হয়েছে। একে একে নিভে গেল চারটি প্রাণ। বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার চার দিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে মারা যান স্বামী শরীফ ও স্ত্রী রোজিনা। একই দিন সকালে মারা যান রোজিনার ভাই রিয়াজ। আর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুর্ঘটনাকবলিত বাড়ির কেয়ারটেকার রনি। রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁদের মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার তাঁদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে এ তথ্য জানান।
চিকিৎসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ, শরীফের ৪০ শতাংশ, রিয়াজের ৪০ শতাংশ এবং রনির ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হলো।
গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে যায়। পরে তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, একই দিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাসায়নিক পদার্থে দগ্ধ হন দুই শ্রমিক। এ ছাড়া নগরীর দেওভোগ এলাকায় একটি বাড়িতে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ আরও তিনজন আহত হন। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ ও বিস্ফোরণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

