অ্যাডভোকেট আবুল কালাম
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, যেসকল রাস্তায় থামতে হয়, জনগণ থাকে না এসকল জায়গায় ছিনতাই বেশি হয়৷ আমি সিটি করপোরেশনের সিইও সাহেবকে বলবো এগুলো নজরদারি করতে। অনেক জায়গায় ল্যাম্পপোস্ট আছে কিন্তু লাইট জ্বলে না। এটা একটু সিরিয়াসলি নিতে হবে।
বুধবার (১২ আগষ্ট) নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও যানজট নিরসন সংক্রান্ত সেমিনারে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের কাঁচা বাজারগুলোর দিকে নজর দিন৷ বাজারে যাওয়া যায় না, হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা থাকে। জনগণ তো ট্যাক্স দেয়। আপনারা পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা নিন।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ নং ঘাটের ব্রিজটির একটি লুপ যদি সলিমুল্লাহ রোডের দিকে মিলিয়ে দিতে পারি তাহলে এত রাস্তা ঘুরতে হয় না। দশ মিনিটে চাষাঢ়া আসা যাবে।
আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের ট্রাফিকের ও রোডস এন্ড হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের লোকেরা আমাদের লোক নয়। কিন্তু বিগত দিনে তাদের সেবা প্রদানের মানসিকতা বিগত দিনে দেখিনি। তবে আজ আপনাদের আলোচনায় আপনারা যে সমাধান চান এটা পরিলক্ষিত হয়েছে।
আমাদের সমস্যাগুলোর কিছুটা স্থায়ী কিছুটা চলমান। কিছু সমস্যা আগামী দিনের। আপাতত আলোচনায় এসেছে চাষাঢ়া এলাকার সমস্যাটা। শহরে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এটা। শহরে প্রবেশে ও বের হওয়ায় সমস্যা ও শহরের ভেতরে যানজটের সমস্যা এখানে আলোচনায় এসেছে। আজকের সমস্যাগুলো রেজুলেশন আকারে আমরা যদি আনতে পারি ও ফলোআপ করতে পারি। তাহলে এটা সমাধান সম্ভব।
আমি আশা করি এই সমস্যাগুলো সমন্বয় করা হবে। এখানে যানবাহন তিনটি কালার করার বিষয় এসেছে। যাত্রী হিসেবে আমাকে যখন ইমার্জেন্সি আসতে হবে হাসপাতালে আমি তখন তো যে রিকশা পাবো সেটা নিয়েই আসতে হবে৷ তখন দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হলে এটা কাজ করবে কীভাবে।
তিনি বলেন, আমাদের যে জায়গাটা উচ্ছেদ করা হল হকারদের বসার জন্য এটা মিনিস্ট্রি পর্যায়ে আলোচনা করতে হবে। একজন করলো আরেকজন তুলে দিলো এটা সমাধান না। আমি রেলওয়ের জায়গা ব্যবহার করতে হলে এলোকেশন নিবো, বৈধ ভাবেই এটা করবো। সিরাজুদ্দৌলা রাস্তাটা বড় করতে পারলে আর এখান দিয়ে যদি বিকল্প একটি রাস্তা হয় তাহলে বঙ্গবন্ধু সড়কের জন্য দুইটি শোল্ডার হয়ে যায়।

