ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেছেন, আমরা উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে দাওয়াত করেছিলাম। আজ থেকে এক মাস আগে নারী ও শিশু অতিরিক্ত পিপি সুমন মিয়াকে নিয়োগ দিয়েছে। এই প্রজ্ঞাপন সুমন মিয়া কোর্টে জমা দিয়েছে কিন্তু তিনি বসতে পারছেন না। এর কারণ পূর্বের পিপি খুরশীদ মোল্লা তার কিছু লোক ও কিছু আইনজীবী দিয়ে রুমে তালা দিয়ে রেখেছেন। তাদের দিয়ে মিছিল মিটিং করিয়ে তাকে বসতে দিচ্ছেন না। এটা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলছে। এজন্য আমি এর সুরাহার জন্য আমরা সাখাওয়াত সাহেবকে দাওয়াত করেছিলাম।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা কথা বলার সময় পাশের রুম থেকে আমাদের সাধারণ সম্পাদক কিছু ছেলেদের নিয়ে নয়ন, জাকিরসহ কিছু আইনজীবী পাশের রুম থেকে ব্যাড কমেন্ট পাস করছিল, হৈচৈ করছিল। তখন মেয়র সাহেবসহ আমরা সেই রুমে গিয়ে জিজ্ঞেস করি ব্যাড কমেন্ট কে করেছে, কেন করেছে। তখন তারা উত্তেজিত হয়, পরে ধ্বাক্কাধ্বাক্কি ও হৈচৈ হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা সকলে পরে শান্ত হয়ে বসেছি। এখানে অন্য কিছু হয়নি। কেউ এখানে অবরুদ্ধ ছিল না। আমরা একসাথে ছিলাম। একসাথে এখান থেকে বের হয়েছি। এখানে শুধু কথা হয়েছে সুমন কেন বসতে পারেনি। আর কোর্টের ব্যাপারে তো কোন কথাই হয়নি। তারা স্ট্যান্ডবাজি করছে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণা করছে। সে হয়ত ভেবেছে সামনে নির্বাচন তাকে সভাপতি পদে মনোনয়ন দেয়া হবে না। এজন্যই মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা আইনের পথে চলতে চাই। পিপির রুম তালা দিয়ে রাখবো, এটা তো আইনজীবী হিসেবে আমরা করতে পারি না। সরকার যাকে নিয়োগ দিবে আমরা তার পক্ষেই থাকবো। যারা বসতে দিচ্ছে না, খুরশীদ মোল্লা সেই উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

