বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

|

আষাঢ় ৯ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

রূপগঞ্জ থানার অভিযানে উদ্ধার ২ শর্টগান, ৩৮ রাউন্ড কার্তুজ 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৫:০১, ২৪ জুন ২০২৬

রূপগঞ্জ থানার অভিযানে উদ্ধার ২ শর্টগান, ৩৮ রাউন্ড কার্তুজ 

সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিরাপত্তাকর্মী (গানম্যান) হিসেবে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র লুটের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত দুটি শর্টগান, ৩৮ রাউন্ড কার্তুজ, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি, ১০ এপ্রিল এবং ১৯ জুন পৃথক চারটি ঘটনায় চারজন লাইসেন্সধারী অস্ত্রধারীকে নিরাপত্তা কর্মীর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে একটি হায়েস মাইক্রোবাসে তুলে তাদের চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অচেতন অবস্থায় রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। এরপর তাদের হেফাজতে থাকা লাইসেন্সকৃত অস্ত্র লুট করে নিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা। 

ভুক্তভোগীরা হলেন- বাগেরহাটের রফিকুল ইসলাম শেখ ও হায়দার আলী মুন্সি, শরীয়তপুরের রেজাউল করিম এবং নওগাঁর অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল করিম। 

এসব ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় তিনটি ডাকাতি মামলা এবং ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি দস্যুতা মামলা দায়ের করা হয়। 

বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের ভাটারা, বাড্ডা ও বনানী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে চক্রের চার সদস্য নাসিম উদ্দিন মোল্লা (৩০), রমজান আলী (৩১), সিরাজুল ইসলাম (৩২) এবং ইব্রাহিম শেখকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়। 

তাদের হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত দুটি শর্টগান ও ৩৮ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি কালো রঙের হায়েস মাইক্রোবাস, একটি এয়ারগান, একটি ওয়াকিটকি, চারটি মোবাইল ফোন, অস্ত্রের জাল লাইসেন্স তৈরির সীলমোহর এবং গাড়ির ভুয়া নাম্বার প্লেটসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। 

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে লাইসেন্সধারী অস্ত্রধারীদের টার্গেট করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে অস্ত্র লুট করছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।