বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

|

কার্তিক ১৯ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৫:৩৭, ৪ নভেম্বর ২০২৬

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি

কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১।

বুধবার (৪ নভেম্বর) এসআরবি-১১-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সোনারগাঁ থানার মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি আবু মোকারম (৪৪) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল (সর্দার বাড়ি) এলাকার আবু তালেবের ছেলে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় আবু মোকারমকে ২০১৩ সালের ১৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত। ওই বছরের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সকালে কারাবন্দীদের সংঘবদ্ধ দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারাগার থেকে পালিয়ে যান আবু মোকারম। এ সময় বন্দীরা কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি মই দিয়ে কারাগারের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় মামলা করে।

এসআরবি জানায়, কারাগার থেকে পালানোর পর গ্রেপ্তার এড়াতে আবু মোকারম বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করেন এবং পরিচয় গোপন রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তার বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে ফেলে রাখেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবু মোকারম ছিলেন এক নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১১।