বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

|

ফাল্গুন ৫ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

না.গঞ্জে আ.লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা, নীরব বিএনপি জামায়াত এনসিপি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৭:৪৩, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

না.গঞ্জে আ.লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা, নীরব বিএনপি জামায়াত এনসিপি

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ শহরে দীর্ঘদিন পর পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয় দখলের চেষ্টা করলেও এ ঘটনায় নীরব অবস্থানে আছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের দুই নম্বর রেলগেট এলাকায় অবস্থিত আওয়ামী লীগের কার্যালয় দখলের চেষ্টা করেন দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টানিয়ে দলীয় স্লোগান দেন তারা। তবে এ ঘটনায় শহরের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের নীরব থাকতে দেখা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন। তারা দ্রুত একটি ব্যানার টানিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে আশপাশের এলাকায় কিছু সময়ের জন্য কৌতূহল ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। তবে পরিস্থিতি বুঝে তারা বেশিক্ষণ সেখানে অবস্থান না করে দ্রুত সরে পড়েন।

এ ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ আলী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী সাদিম আহমেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী সায়মন মির্জাসহ আরও পাঁচ থেকে ছয়জন কর্মী।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এঘটনায় শহরের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নীরবতা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জ শহরে ব্যাপক সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সে সময় ক্ষুব্দ ছাত্রজনতা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এই কার্যালয়টি ভাঙচুর করে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, সামনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে হলে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে পারে। প্রশাসনের ভূমিকা ও অন্যান্য দলের অবস্থান পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর সবার।