বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

|

ফাল্গুন ৫ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত তীব্র যানজট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৫:৩১, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত তীব্র যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। 

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এই মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ধীরগতির যান চলাচল লক্ষ্য করা যায়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের প্রায় প্রতিটি পয়েন্টেই যানবাহন আটকে পড়ছে। বিশেষ করে সাইনবোর্ড, শিমড়াইল মোড় ও কাঁচপুর এলাকায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ হঠাৎ বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি রমজান মাসের শুরু হওয়ায় পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বহনকারী যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পারায় মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

মালবাহী ট্রাকচালকেরা জানান, রমজানের পণ্য সময়মতো পৌঁছাতে আমাদের চাপ আছে, কিন্তু রাস্তায় এত যানজট যে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

যানজটের কারণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জমুখী এই ব্যস্ত মহাসড়কে চলাচলকারী হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, যা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাহাবুর রহমান জানান, নির্বাচনের কারণে বেশ কয়েকদিন পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ ছিল। ছুটি শেষ হতেই সব গাড়ি একসঙ্গে রাস্তায় নামায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে মদনপুরের পরের সড়কগুলো এখনো স্বাভাবিক আছে।

তিনি আরো বলেন, যানজটের পেছনে আরেকটি কারণ হলো রমজানকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনের চাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া। যদিও যাত্রীবাহী বাসের চাপ তুলনামূলক কম, তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংখ্যা অনেক বেশি।