বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

|

ফাল্গুন ৪ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

সংগ্রামের মাঠ থেকে নির্বাচন, ৪ বন্ধুর সক্রিয়তা প্রশংসিত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:৪৯, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সংগ্রামের মাঠ থেকে নির্বাচন, ৪ বন্ধুর সক্রিয়তা প্রশংসিত

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ শহরের আন্দোলনের মাঠ থেকে নির্বাচনের মাঠ পর্যন্ত জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে চার বন্ধু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের একসাথে পথচলা শুরু হয়েছিল ছাত্র রাজনীতি থেকে, আর সেই বন্ধুত্বের শক্তিতেই তারা এবার নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক মাঠে বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালামকে বিজয়ী করতে নিরলস কাজ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নেতা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন এবং মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল। এদের অবদান নির্বাচনী প্রচারণায় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা এলাকার প্রতিটি ভোটারের কাছে পৌঁছানোর জন্য মাঠে থেকেছেন, বাসা-বাড়ি পরিদর্শন, সমাবেশ আয়োজন, এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।

এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন মাসুকুল ইসলাম রাজীব। তিনি ছিলেন নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক এবং তার নেতৃত্বে দলের কর্মীরা অপ্রতিরোধ্যভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। রাজীবের নেতৃত্বে প্রচারণা সঠিকভাবে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, যা প্রার্থী মান্নানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চার বন্ধুর এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এবং একে অপরকে সমর্থন করার মাধ্যমে তারা নারায়ণগঞ্জে বিএনপি’র হারানো শক্তি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা একসাথে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, আর সেই সংগ্রামের অভিজ্ঞতা আজকের নির্বাচনী মাঠে তাদের জন্য কার্যকরী হয়ে উঠেছে।

এই চারজনের নেতৃত্ব এবং নিষ্ঠার কারণে, নারায়ণগঞ্জে বিএনপি একটি নতুন জয় পেয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে পরিগণিত হবে। তাদের অটল মনোবল এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ, জনগণের কাছে বিএনপি আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং নির্বাচনী ফলাফলে তার প্রতিফলন দেখা গেছে।

তাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা রাজনৈতিক দুনিয়ায় এক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে আরো বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করবে।