রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

|

মাঘ ৩ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

প্রতিবন্ধী শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা, মসজিদের মুয়াজ্জিন অভিযুক্ত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:৫৫, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

প্রতিবন্ধী শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা, মসজিদের মুয়াজ্জিন অভিযুক্ত

প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশীপুর এলাকায় এক প্রতিবন্ধী শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাশীপুরের মুজদালেফা জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন বুধবার রাতে এশার নামাজের পর ১৪ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ও বোবা শিশু শোয়াইব মসজিদের ভেতরে নিজের কক্ষে ডেকে নেন। পরে তাকে চিপস খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কক্ষে আটকে রেখে জোরপূর্বক তার জামাকাপড় খুলে বিবস্ত্র করেন এবং বলাৎকারের চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী শিশু বোবা হওয়ায় চিৎকার করতে না পারলেও প্রচণ্ড ভয়ে চেঁচামেচি করলে আশপাশের লোকজনের টের পাওয়ার আশঙ্কায় অভিযুক্ত মুয়াজ্জিন তাকে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার পর শিশু শোয়াইব বাড়িতে ফিরে কান্নার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করে। শিশুর শারীরিক অবস্থা দেখে সন্দেহ হলে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরে তারা মসজিদে গিয়ে অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনকে সেখানে না পেয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলমকে অবহিত করেন। সভাপতি বিষয়টি মসজিদের সাধারণ সম্পাদক ও কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ সেলিমকে জানালে তারা উপযুক্ত বিচারের আশ্বাস দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, এ ধরনের গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শালিস বা আপসের সুযোগ নেই। অথচ বিষয়টি শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র ও অসহায় হওয়ায় এখনো আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা সামাজিক লজ্জা ও ভয়ের কারণে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাশিপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে মসজিদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব যিনি পালন করছেন  মোঃ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে  তিনি  জানান  আমি মুসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক  সেলিম ভাইয়ের সাথে আলাপ করেছি   আমরা  বসে এটা শেষ করব  আর তাছাড়া ছেলেটা প্রতিবন্ধী  তার কথা অস্পষ্ট  আমরা বসে একটা সিদ্ধান্ত নিব